আমাদের ইসলাম ধর্মে আছে, যদি কোনো মুসলিম রাষ্ট্রে কোনো অমুসলিম নাগরিক রাষ্ট্রের আইন মেনে বসবাস করেন, তার রক্ষা করার দায়িত্ব সেই রাষ্ট্রের। কোনো ভিন্ন ধর্মাবলম্বী গোষ্ঠী বা সম্প্রদায়ের উপাসনালয় থাকে, তাহলে সেটি রক্ষা করার দায়িত্ব সকলের এবং রাষ্ট্রের।’
‘আল্লাহকে ছেড়ে যাদের তারা (মূর্তিপূজক) ডাকে, তাদের তোমরা গালি দিও না। তাহলে তারা সীমালংঘন করে অজ্ঞানতাবশত আল্লাহকেও গালি দেবে।’ (সূরা আনয়াম : ১০৮)
‘দ্বীনের ব্যাপারে যারা তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেনি এবং তোমাদের নিজেদের দেশ থেকে বের করে দেয়নি তাদের প্রতি মহানুভবতা প্রদর্শন ও ন্যায়বিচার করতে আল্লাহ তোমাদের নিষেধ করেননি। আল্লাহ তো ন্যায়পরায়ণদের ভালোবাসেন।’ (সুরা মুমতাহিনা : আয়াত ৮)
‘হে মানবমণ্ডলী! তোমাদের আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয় এবং তোমাদের আদিপিতাও এক। একজন আরব একজন অনারব থেকে কোনো মতেই শ্রেষ্ঠ নয়। তেমনি একজন আরবের ওপরে একজন অনারবেরও কোনো শ্রেষ্ঠত্ব নেই। একজন সাদা চামড়ার মানুষ একজন কালো চামড়ার মানুষের চেয়ে শ্রেষ্ঠ নয়, আবার কালোও সাদার চেয়ে শ্রেষ্ঠ নয়। শ্রেষ্ঠত্বের মূল্যায়ন করতে বিচার্য বিষয় হবে, কে তাকওয়া তথা আল্লাহ ও বান্দার হক কতদূর আদায় করল। এর মাধ্যমেই আল্লাহর কাছে তোমাদের সর্বোচ্চ সম্মানের অধিকারী সেই ব্যক্তি, যিনি সর্বাপেক্ষা বেশি ধর্মপরায়ণ।’ (বায়হাকি)
‘হে মানবজাতি! আমি পুরুষ ও নারী থেকে তোমাদের সৃষ্টি করেছি। আর আমি বিভিন্ন গোষ্ঠী ও গোত্রে তোমাদের বিভক্ত করেছি যেন তোমরা একে অপরকে চিনতে পার’। (সুরা আল-হুজরাত : আয়াত ১৩)
ইসলাম শান্তির ধর্ম। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব হচ্ছেন হজরত মুহাম্মদ (সা.)। মহানবী (সা.) বিদায় হজের ভাষণে বলে গেছেন, ‘ধর্ম নিয়ে তোমরা বাড়াবাড়ি কোরো না। ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করতে গিয়ে বহু জাতি বিলুপ্ত হয়ে গেছে।’
