‘পুরুষেরা নারীদের উপর কৃর্তত্বশীল এ জন্য যে, আল্লাহ একের উপর অন্যের বৈশিষ্ট্য দান করেছেন এবং এ জন্য যে, তারা (স্বামীরা) তাদের (স্ত্রীদের জন্য) অর্থ ব্যয় করে। সে মতে নেককার স্ত্রীরা হয় অনুগতা এবং আল্লাহ যা হেফাজতযোগ্য করে দিয়েছেন- লোক চক্ষুর অন্তরালেও তার হেফাজত করে।’ (সুরা নিসা : আয়াত ৩৪)
- হজরত আনাস বিন মালেক রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘কোনো ধরণের নারী জান্নাতি; আমি কি তোমাদের বলে দেব না? তাঁরা বললেন, ‘হ্যাঁ’, হে আল্লাহর রাসুল! (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম); তিনি বললেন, তোমাদের জান্নাতি নারীরা হবে স্বামীর প্রতি প্রেমময়ী, এবং অধিক সন্তান প্রসবকারীনী।’
- হজরত আব্দুর রহমানি ইবনে আউফ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘মুসলিম নারীরা যদি যথাযথভাবে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করে, রমজানের রোজা পালন করে, নিজের লজ্জাস্থানের হেফাজত করে এবং স্বামীর আনুগত্য করে,তখন সে ই নারীকে বলা হবে তুমি জান্নাতের যে কোন দরজা দিয়ে ইচ্ছে ভেতরে প্রবেশ কর।’ (মুসনাদে আহমাদ)
- হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ‘নেককার নারীরা স্বামী অনুগতা হয়। অর্থাৎ স্বামীর আনুগত্য প্রকাশ করবে।- হজরত
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর কাছে জানতে চাওয়া হয় যে, হে আল্লাহর রাসুল! কোনো শ্রেণীর নারী সর্বোত্তম? তিনি বলেন, ‘তার পরিচয় হচ্ছে- তুমি (স্বামী) তার দিকে তাকালে সে তোমাকে আনন্দিত করবে, (তুমি) কোনো নির্দেশ (দায়িত্ব) দিলে তা বাস্তবায়ন করবে। তার নিজের ব্যাপারে এবং স্বামীর সম্পদের ব্যাপারে স্বামীর অপছন্দনীয় কাজ করে স্বামীর বিরোধিতা করবে না।’
