জান্নাতীদেরকে আল্লাহ পবিত্রা স্ত্রী ও হুরদের সাথে বিয়ে দেবেনঃ মহান আল্লাহ বলেনঃ তারা বসবে সারিবদ্ধভাবে সজ্জিত আসনে হেলান দিয়ে; আমি তাদের বিবাহ দেব আয়তলোচনা হুরদের সঙ্গে। (সূরা তুর: ২০)।
আল্লাহ বলেন, আমি জান্নাতী নারীদেরকে বিশেষরূপে সৃষ্টি করেছি। তারপর তাদেরকে চিরকুমারী, কামিনী ও সমবয়স্কা বানিয়েছি। (সূরা ওয়াকিআহঃ ৩৫-৩৮)।
ঐ সমস্ত হুর এবং স্ত্রীগণ শুধু কুমারীই হবে না বরং এমন অবস্থায় থাকবে যে, জান্নাতীদের স্পর্শের পূর্বে কোনো মানুষ অথবা জ্বীন তাদেরকে স্পর্শ করে নি বা দেখেও নি। কেননা বিচারের পূর্বে কোনো ব্যক্তিই জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না তাই তাদেরকে দেখা বা স্পর্শ করাও সম্ভব নয়।
আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ তাদেরকে পূর্বে কোনো মানুষ অথবা জ্বীন স্পর্শ করে নি।’ (সূরা আর- রাহমান: ৫৬)।
আল্লাহ তাআলা আরো বলেন, জান্নাত বাসীদের জন্য রয়েছে, সমবয়স্কা, পূর্ণযৌবনা তরুণী। (সূরা আন-নাবা, আয়াত: ৩৩)।
হুরদের সাথে সহবাস সম্পর্কে হাদিসঃ
(যারা জান্নাতে প্রবেশ করবে) বড় বড় চক্ষু বিশিষ্ট হুরগণ হবেন তাদের স্ত্রী। তাদের সকলের দেহের গঠন হবে একই। (সহীহ বুখারী (ইফাঃ), হাদিস নম্বরঃ ৩০৯২)।
আবু হুরায়রা (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কে জিজ্ঞেস করা হলো, জান্নাতে কি আমাদের স্ত্রীদের সাথে যৌনমিলন হবে? তিনি উত্তরে বলেন, একজন জান্নাতী এক সকালে ১০০ কুমারী তরুণীর সাথে যৌনসঙ্গম করবেন। (তাবারানী, বাযযার)।
আবু হুরায়রা (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কে জিজ্ঞেস করা হলো, জান্নাতে কি আমাদের জন্য যৌনমিলন থাকবে? তিনি বললেন, যার হাতে আমার জীবন তার শপথ নিয়ে বলছি যে, হ্যাঁ, জোরালো ধাক্কার (সাথে যৌনসঙ্গম হবে)। যখন আমাদের একজন জান্নাতে তার স্ত্রী সাথে রতিক্রিয়া শেষ করবে, সে (স্ত্রী) পুনরায় কুমারী এবং পবিত্র রমণী হয়ে যাবে। (ইবনে হিব্বান)।
জান্নাতে আকর্ষণীয় চক্ষুবিশিষ্টা হুরেরা গান গাইবে এ বলেঃ আমরা সুন্দরী, সতী ও সচ্চরিত্রের অধিকারিণী হুর, আমরা আমাদের স্বামীদের অপেক্ষায় অপেক্ষামান ছিলাম। (সহীহুল জামি : ১৫৯৮)।
এক একজন পুরুষ বেহেশ্তের মধ্যে ৭০/৭২ জন করে হুর পাবেন। বেহেশ্তেী পুরুষ হুরগণের সাথে যতই সঙ্গম করুক তবু তাদের শরীর কখনো দুর্বল হবেনা। বরং যতই সঙ্গম করবে ততই তাদের শরীরে কান্তি ফু্টে উঠবে, রূপ বাড়বে, শক্তি বৃদ্ধি পাবে।
